(একটি রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক)
কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ এ ০২:৪৭ PM
কন্টেন্ট: পাতা
কৃষি ঋণ | |
১) | বর্ণনা: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কৃষি খাত একটি মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠী প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল হলেও আধুনিক ও টেকসই কৃষি কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে কৃষকদের আর্থিক সীমাবদ্ধতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই প্রেক্ষাপটে কৃষি ঋণ কৃষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক মাধ্যম, যা উৎপাদন বৃদ্ধি, আয় বৃদ্ধি ও স্বাবলম্বিতা অর্জনে সহায়তা করে। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি. দেশের উন্নয়নমূলক ব্যাংক হিসেবে কৃষি খাতের অগ্রগতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কৃষি ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
|
২) | ঋণের উদ্দেশ্য: দেশের কৃষি খাতকে শক্তিশালী ও টেকসই করা। কৃষকদের বীজ, সার, সেচ, কীটনাশক ও আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা, ফলে তারা উন্নত পদ্ধতিতে চাষাবাদ করতে পারেন এবং ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
|
৩) | ঋণ প্রাপ্তির যোগ্যতা: কৃষি কাজে নিয়োজিত প্রকৃত কৃষক কৃষি ঋণের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
|
৪) | ঋণ প্রাপ্তির অযোগ্যতা: খেলাপি ঋণগ্রহীতা কৃষি ঋণ পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
|
৫) | ঋণের পরিমাণ: কৃষি ঋণ এর ক্ষমতা/উত্তোলন সীমা মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করে থাকেন।
|
৬) | সুদের হার: অনুগ্রহ করে ওয়েবসাইটের মূল পেজ এ দেখুন।
|
৭) | ঋণের জামানত: ৫.০০ একর এর বেশি জমি চাষাবাদের জন্য ঋণ জামানত প্রদান করতে হবে।
|
৮) | ঋণ পরিশোধের মেয়াদ: উৎপাদন চক্রের ধরণ ও বাস্তবতার নিরীখে ঋণের মেয়াদ হবে ৬ (ছয়) মাস হতে সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছর। উৎপাদনের ধরণ অনুযায়ী গ্রেস পিরিয়ড ১ (এক) থেকে ৩ (তিন) মাস হবে।
|
৯) | |